कुवेत प्रेस मेमोरी पछिल्ला समाचार
alraiपछिल्लो पृष्ठ

शार्क... समुद्रको तल्लो भागमा हिँड्छ!

शार्क... समुद्रको तल्लो भागमा हिँड्छ!

এটি যেন কল্পনা থেকে আসা কোনো দৃশ্য, কিন্তু বাস্তবতা হলো বিজ্ঞানীরা পাপুয়া নিউ গিনির উপকূলের কাছে একটি নতুন প্রজাতির শার্ক আবিষ্কার করেছেন, যা সাধারণ শার্কের মতো চলাচল করে না; বরং এটি তার ফিনগুলোকে পা-এর মতো ব্যবহার করে সমুদ্রতল এবং প্রবাল প্রাচীরের ওপর দিয়ে হাঁটতে সাহায্য করে।

Earth.com-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘হেমিস্কিলিয়াম ডাজোনাই’ (Hemiscyllium dudgeonae) নামে পরিচিত এই নতুন প্রজাতিটি এমন কিছু শার্কের একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত, যারা তাদের চারটি ফিন ব্যবহার করে চলাচল করতে পারে। এটি পাপুয়া নিউ গিনির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অত্যন্ত সীমিত এলাকায় বাস করে।

এই শার্কটি আবিষ্কার করা হয়েছিল পাপুয়া নিউ গিনির পূর্বাঞ্চলে পরিচালিত একটি গবেষণা অভিযানের সময়, যার মূল লক্ষ্য ছিল নতুন প্রজাতির শার্ক গণনা করা। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সানশাইন কোস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা দল প্রবাল প্রাচীর, সামুদ্রিক ঘাসের মাঠ এবং ম্যাঙ্গ্রোভ বন অঞ্চল পরিদর্শনের জন্য ৭০টি সার্ভিচালনা পরিচালনা করে, যেখানে তারা শার্ক খুঁজে পেতে ডাইভিং, স্কুবা ডাইভিং এবং এমনকি অগভীর প্রবাল প্রাচীরের ওপর দিয়ে হাঁটাও ব্যবহার করেছিল।

ডাইভিংয়ের একটি সময়কালে, শার্ক জিনতত্ত্ববিদ ক্রিস্টিন ডাজোন এক অস্বাভাবিক শার্ক ধরেন এবং তাকে নৌকায় নিয়ে আসেন। সেখানে তার বাদামী শরীরের ওপর ছড়িয়ে থাকা সাদা দাগগুলো গবেষকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, কারণ এগুলো তাদের পরিচিত অন্যান্য প্রজাতির প্যাটার্ন থেকে ভিন্ন ছিল। একই প্যাটার্নযুক্ত আরও ১১টি শার্ক পাওয়ার পর, জিনগত বিশ্লেষণ নিশ্চিত করে যে বিজ্ঞানীরা আগে থেকে অজানা একটি নতুন প্রজাতির মুখোমুখি হয়েছেন।

উল্লেখ্য, এই শার্ক মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়; এটি সমুদ্রতলের অমেরুদণ্ডী প্রাণী খেয়ে থাকে এবং জোয়ার কমলে প্রবাল প্রাচীরের ওপর এবং অগভীর পুকুরে চলাচল করতে তার বক্ষীয় এবং পেলভিক ফিন ব্যবহার করতে পারে।

এই নতুন প্রজাতির বৈজ্ঞানিক নাম ‘হেমিস্কিলিয়াম ডাজোনাই’ দেওয়া হয়েছে শার্ক নিয়ে দুই দশক ধরে গবেষণা করা ক্রিস্টিন ডাজোনকে সম্মান জানাতে। অন্যদিকে, আমফলেট দ্বীপপুঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দারা এটিকে ‘কাদেদেকদেওয়া’ (kadedekedewa) নামে ডাকে, যা আনুমানিক ‘কুকুর শার্ক’ বা ‘আলসে শার্ক’ হিসেবে অনুবাদ করা যায়, যা চারটি ফিন ব্যবহার করে ধীরগতিতে চলাচলের পদ্ধতির দিকে ইঙ্গিত করে। উত্তরে অবস্থিত ট্রোব্রিয়ান্ড দ্বীপপুঞ্জে এই শার্কের স্থানীয় নাম ‘বোতাবোটা’ (botabota)।

पछिल्ला समाचार मूल स्रोत
लिंक कपी भयो ✓